আজ রবিবার| ১২ই জুলাই, ২০২০ ইং| ২৮শে আষাঢ়, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ রবিবার | ১২ই জুলাই, ২০২০ ইং

উভয় জগতে সুখী হতে চাইলে মহানবীকে অনুসরণ করুন, মাহাথির মোহাম্মদ

রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | ৩:৩৫ পূর্বাহ্ণ | 64 বার

উভয় জগতে সুখী হতে চাইলে মহানবীকে অনুসরণ করুন, মাহাথির মোহাম্মদ

সমগ্র মুসলিম উম্মাহর প্রতি মহানবী হজরত মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনুস্মরণ করার বিশেষ আহবান জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মাদ। তিনি বলেন, দুনিয়া ও আখেরাতে সুখী হওয়ার জন্য আল্লাহর রাসুল সা.- এর অনুস্মরণ করুন।

রবিবার পবিত্র মিলাদুন্নবী সা. উপলক্ষে এক টুইটে প্রবীণ প্রভাবশালী এই মুসলিম নেতা মুসলিম উম্মাহকে নববী-আদর্শ গ্রহণের ব্যাপারেও জোর তাকিদ দেন।

সবার জন্য উপযুক্ত করে ইসলামি শিক্ষার প্রচার-প্রসারে যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মাহাথির মুহাম্মাদ।

টুইট করে তিনি লেখেন, ইসলামি শিক্ষার অনুস্মরণে আমাদের এই প্রচেষ্টাই-ইনশাআল্লাহ-সফল ও সুখী জীবনের দিকে মানুষকে পথ দেখাবে। এতে মানুষ তার জীবনকে উপভোগ করতে পারবে এবং জীবনের গুরুত্বও বুঝতে পারবে। আর এর মধ্যেই মানুষের বাস্তব উপকারিতা নিহিত!

আরো সংবাদ

জমজমের পানিই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানি, প্রমাণ করলেন জাপানের বিজ্ঞানী

জমজমের পানি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানি, প্রমাণ করলেন জাপানের বিজ্ঞানী- জমজমের পানি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পানি। পবিত্র জমজম নিয়ে রাসুল (সা.)-এর বহু হাদিস রয়েছে, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো ইবনে আব্বাস (রা.) কর্তৃক বর্ণিত। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ পানি হলো জমজমের পানি। তাতে রয়েছে তৃপ্তির খাদ্য ও ব্যা’ধির আরো’গ্য।’ (আল-মুজামুল আউসাত, হাদিস : ৩৯১২)

জাপানের বিখ্যাত গবেষক মাসরু এমোতো জমজমের পানি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাঁর মতে, জমজমের এক ফোঁটা পানির যে নিজস্ব খনিজ গুণাগুণ আছে, তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে নেই। তিনি আরো বলেন, সাধারণ পানির এক হাজার ফোঁটার সঙ্গেযদি জমজমের পানির এক ফোঁটা মেশানো হয়, তাহলে সেই মিশ্রণও জমজমের পানির মতো বিশুদ্ধ হয়। কেননা জমজমের পানির মতো বিশুদ্ধ পানি পৃথিবীর অন্য কোথাও পাওয়া যাবে না।

খলিলুল্লাহ ইবরাহিম (আ.)-এর পুত্র হজরত ইসমাঈল ও স্ত্রী হাজেরা (আ.)-এর এই স্মৃতিকে মহান আল্লাহ এতটাই বরকতময় করে রেখেছেন যে, পৃথিবীতে এই পানির নজির আর তিনি রাখেননি। এই পানিকে তিনি বানিয়েছেন সম্পূর্ণ জীবা’ণুমুক্ত এবং হাজারো জীবাণুর প্রতিষে’ধক।

জাপানি বিজ্ঞানী মাসারু ইমোতো ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষণা করেছেন জমজমের পানির ওপর। কেন জমজমের পানি পৃথিবীর বিশুদ্ধতম পানি তার কিছু বৈজ্ঞানিক ধারণা বের করেছেন গবেষণার মাধ্যমে।

১। এক ফোঁটা জমজমের পানিতে যে পরিমাণ আকরিক পদার্থ থাকে তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে থাকে না।

২। জমজমের পানির গুণগত মান কখনও পরিবর্তিত হয় না।

৩। সাধারণ কূপের পানিতে জলজ উদ্ভিদ জন্মালেও জমজম কূপের পানিতে কোনো জলজ উদ্ভিদ বা অন্যান্য উদ্ভিদজাত অণু’জীব জন্মায় না।

৪। জমজমের পানিতে যেসব আকরিক পদার্থ পাওয়া গেছে তার মধ্যে ক্যালসিয়াম, ফ্লোরাইড, সোডিয়াম, ক্লোরাইড, সালফেট,নাইট্রেট, ম্যাগনেসিয়াম এবং পটাশিয়াম উল্লেখযোগ্য। ফ্লোরাইড ছাড়া বাকি মিনারেলগুলোর মাত্রা অন্যসব স্বাভাবিক খাবার পানিতে পাওয়া মাত্রা থেকে বেশি ছিল।

৫। জমজমের পানিতে এন্টিমনি, বেরিলিয়াম, ব্রোমাইন,কোবাল্ট, বিস্মুথ, আয়োডিন আর মলিবডেনামের মতো পদার্থগুলোর মাত্রা ছিল ০.০১ ppm থেকেও কম। ক্রোমিয়াম, ম্যাংগানিজ আর টাইটানিয়াম এর মাত্রা ছিল একেবারেই নগণ্য।

৬। জাপানি বিজ্ঞানীর পরীক্ষা অনুযায়ী জমজমের পানির pH হচ্ছে ৭ দশমিক ৮। যেটি সামান্য ক্ষারজাতীয়। বিজ্ঞানী তার পরীক্ষায় আর্সেনিক, ক্যাডমিয়াম, সীসা এবং সেলেনিয়ামের মতো ক্ষ’তিকর পদার্থগুলো ঝুঁ’কিমু’ক্ত মাত্রায় পেয়েছেন। যে মাত্রাগুলোতে মানুষের কোনো ক্ষ’তি হয় না।

৭। মাসারু তার পরীক্ষায় জমজমের পানির এমন এক ব্যতিক্রমধর্মী মৌলিক আকার পেয়েছেন যেটি খুবই চমকপ্রদ। পানির দুইটি স্ফটিক সৃষ্টি হয়- একটি আরেকটির উপরে কিন্তু সেগুলো একটি অনুপম আকার ধারন করে।

It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

সর্বশেষ সংবাদ
ফেইসবুক পাতা