আজ বুধবার| ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং| ১৫ই আশ্বিন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
আজ বুধবার | ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ ইং

বঙ্গবন্ধু বলতেএকটি স্বপ্নের সবুজ বাংলাদেশ //তানজিনা ইয়াসমিন নীলিমা 

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২০ | ৬:৩৯ অপরাহ্ণ | 44 বার

বঙ্গবন্ধু বলতেএকটি স্বপ্নের সবুজ বাংলাদেশ //তানজিনা ইয়াসমিন নীলিমা 

বঙ্গবন্ধু বলতেএকটি স্বপ্নের সবুজ বাংলাদেশ তানজিনা ইয়াসমিন নীলিমা

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সবুজ বাংলাদেশ।

শেখ মুজিবুর রহমান তিনি ছিলেন প্রকৃতি সবুজ প্রেমিক। তিনি যেমন মানুষকে ভালোবাসতেন তেমনি সবুজ প্রকৃতিকে ভালোবাসতেন,আশ্চর্যজনকভাবে সৌন্দর্যে প্রকৃতি পছন্দ করতেন। তিনি সবুজ প্রকৃতি সাথে মিশে থাকতেন। ছোট বেলা থেকে বন্ধদের সাথে মিলে গাছে গাছে উঠে আম পারতেন, এবং আম,জাম,লিচু, কাঁঠাল ফল তার খুব পছন্দের ছিলো। গরিব আর বড় লোক তার কাছে কোন ভেদাভেদ ছিলো না, তার বাসায় মেহমান যখন আসতেন তিনি বলতেন যা মুড়ি নিয়ে আস,(তিনি মুড়ি কে আর একটি নাম বলতেন তা হলো হুরুম) সবাই কে নিয়ে তিনি মুড়ি আর কাঁঠাল দিয়ে খেতে। তার সম্পর্কে আমার অনেক জানার ইচ্ছা ছিলো।তাকে দেখা হয় নাই, কিন্তু জেড এইচ সিকদার ইউনিভার্সিটি সাইন্স এন্ড টেকনোলজি থেকে ১১,এপ্রিল, ২০১৯,সালে ইংরেজি বিভাগ থেকে আমরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজার যিয়ারত করার জন্য আমরা গোপালগঞ্জ গিয়ে ছিলাম।আল্লাহর অশেষ রহমত এক বৃদ্ধ লোকের সাথে আমার দেখা হয়, তার কাছে থেকে আমি অনেক কথা জানতে পারি। তিনি ছোট বেলা থেকে নৌকা নিয়ে শাপলা বিলের ঘুরাঘুরি করতেন।তিনি পুকুরে গোসল করতেন। এখন ও পুকুর পাড়টি আগে মতো আছে, নেই শুধু মানুষটি। মাজারের পিছনে রয়েছে এখন ও সেই পুরাতন নারকেল গাছ গুলো আছে। তার ডাব এর পানি খুব পছন্দের ছিলো। সবুজ মাঠ সবুজ ঘাস, সবুজে সবুজে একাকার মুগ্ধতার আহবানে এদিক ওদিক
ফিরে তাকাইতো বারবার। ঋতুর বৈচিত্রতায় অপরূপ সাজে তিনি মিশে থাকতেন।
প্রকৃতি যে সেজেছে আজ তোমনি করে তিনি চেয়ে ছিলো লাল সবুজে সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে,চারিদিক সবুজ শান্তির নেমেছে যেন শীতল ধারা গাছে ফুটেছে রঙ-বেরঙের ফুল সবুজ শুধু নয় তো রং,নয়তো কোনো সাজের সং সবুজ রং-এর মেলাআছে,জানে বল কয় জন?বন্ধু মানে সবুজ,তাইত তারা অবুঝ সবুজ মানে মনের কথা,আমার প্রানের বাংলা ভাষা। সবুজ মানে ছয়টি ঋতু ,আট টি বেশেতে সুভাষ পাওয়া।সবুজ মানে স্নিগ্ধতা ,সবুজ মানে কোমলতা সবুজ আমার এই না দেশ, তুলনা যার নেইকো শেষ শত দেশের সেরা দেশ,আমার লাল সবুজ বাংলাদেশ ।
না থাকলে সবুজ বল কোথায় পেতাম পতাকা।
লাল-সবুজের মাঝে দেখো গোটা দেশটি আঁকা ।
সবুজ আমার মায়ের শাড়ি,আমার বোনের শখের হাড়ি।
সবুজ আমার এই না দেশ, তুলনা যার নেইকো শেষ।
শত দেশের সেরা দেশ,বঙ্গবন্ধু সবুজ বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর কথা আমার পরিবার কাছে আমি জন্মের পারে থেকে আামার দাদা,এবং আব্বুর কাছে তার কথা শুনে বড় হয়েছি, কিন্তু তাকে দেখার সৌভাগ্য হয়নি আমার।

মাননীয় আওয়ামী লীগের সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম।পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
তিনি আমার কাজিন তিনি আমাদের বংশের গৌরব উজ্জ্বলময় তারকা।তিনি ও ছোট বেলা থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি আমাদের দেশের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র, ছোট বেলা থেকে আওয়ামীলীগের করেছেন।তিনি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-২ আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম।পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী। অসহায় মানুষের পাশে তার সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন এলাকার মানুষের ভালোবাসায় আমি কৃতজ্ঞ। তাদের ভালোবাসার কারণে বিপুল ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি। তাদের প্রত্যাশা পূরণে সবসময়ে কাজ করব।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত উন্নয়ন মূলক কাজগুলো করে যেতে চাই।এর সাথে আমাদের পরিবার থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা কে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভেচ্ছা।

আসেন আমরা সবাই মিলে সবুজ সোনার বাংলা গড়ে তুলি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করি
বাড়ির আশেপাশের সবারই কিছু কিছু জায়গা থাকে। খালি জায়গা টা যদি ফেলে না রেখে একটু আমগাছ, জামগাছ, কাঁঠাল গাছ,লিচু গাছ লাগিয়ে রাখা হয় তাতে পরিবেশ অনেক সুন্দর হয়। এবং নিজের গাছের কিছু ফল ফরমালিন মুক্ত, ভেজাল মুক্ত খাওয়া যায়। সব থেকে বড় কথা হচ্ছে নিজের গাছের থেকে আম পড়ে কেটে খাওয়ার মজাই অন্যরকম। বাংলাদেশ হতে পারে ফলে দেশ যদি রাস্তার দুইপাশে কাঠ গাছ না লাগিয়ে আম, কাঁঠাল গাছে লাগানো হতে। তাহলে বাংলাদেশ হতে সবুজ ফলের দেশ। আপনাদের সবার উদ্দেশ্যে বলতেছি, আমি পড়ে থাকা জায়গাটি আপনারা আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু গাছ লাগান এবং পরিবেশটি আরো অনেক সুন্দর করে তুলবেন এবং ফরমালিন ভেজাল মুক্ত ফল খান সুস্থ থাকেন ভালো থাকেন নিরাপদ থাকেন।
আম একটি মৌসুমী ফল সব সময় পাওয়া যায় না ।আম আক্তি সুস্বাদু ফল ,আমরা বলি ফলের রাজা কাঁঠাল। কিন্তু আমরা বাঙালি আর বাঙালি সংস্কৃতির সাথে আম ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িত । আমাদের জন্মের পর আম এর সাথে মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠে। আমকে নিয়ে কত রচনা ও কবিতা লিখেছে কবি, সাহিত্যিকগণ। গাছে গাছে আম দরেছে ।কয়েক দিন পর সারা দেশ আমের জোয়ারে ভাসবে।
পাকা আম আমাদের ত্বক কে সুন্দর, উজ্জ্বল ও মসৃণ করে। শুধু তাই নয়, এটি আমাদের ত্বকের ভেতর ও বাইরে থেকে উভয়ভাবেই সুন্দর রাখতে সাহায্য করে। আম আমাদের ত্বকের লোমের গোড়া পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে ও ব্রণের সমস্যা সমাধানে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
আমের উপকারিতা গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে আমের পুষ্টি উপাদান। পাকা আমের আঁশে কিছু উপাদান যেমন- ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ থাকায় তা হজমে সহায়তা করে থাকে। আমে আছে প্রচুর পরিমাণে এনজাইম এটা আমাদের শরীরের প্রোটিন অণুগুলো ভেঙ্গে ফেলতে সাহায্য করে যা হজমশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
বাড়ির উঠোনটার পাশে
আছে অনেক গুলো আমের গাছ।
সকাল হলেই গাছের ডালে,
পাখিরা সব করে নাচ।
আর বানোর সব আম খায় মজা মজা করে!
আমি একটু সময় পেলে বসি আম গাছের নিচে।
চৈত্র মাসে আমের গাছে
কত আমের মুকুল ধরে।
বৈশাখে কাঁচা আমের গন্ধে
সবার পরাণ পাগল করে।
জ্যৈষ্ঠ মাসে আম পাকে
খেতে লাগে অতি মিঠে।
সেই পাকা আমের গন্ধে
সারা বাড়ি ভরে ওঠে।
হঠাৎ সেদিন বিকেল বেলায়
দারুণ কালবৈশাখীর ঝড়ে,
মড় মড় করে আমগাছের
শুধু দুটো ডাল ভেঙে পড়ে।
আষাঢ় মাসের বাদলা দিন।

(তানজিনা)

It's only fair to share...Share on FacebookShare on Google+Tweet about this on TwitterShare on LinkedIn

সর্বশেষ সংবাদ
ফেইসবুক পাতা